‘হার পাওয়ার’ প্রকল্পে ৪৩ জেলায় প্রশিক্ষণ পাবে ২৫ হাজার নারী : পলক
তরুণীদের ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সিং কাজের মাধ্যমে কর্মসংস্থান গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামকরণ করা ‘হার পাওয়ার’ নামক প্রকল্পে ৪৩ জেলায় নারীদকে প্রযুক্তি দক্ষতায় কাজ শুরু করছে আইসিটি বিভাগ। এই প্রকল্পে ২৫ হাজার নারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ২৫০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মধ্যে ৩ মাসের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও ৩ মাসের ইনকিউবেশনের সুযোগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নত্তোর পর্বে সংসদ সদস্য রুবিনা আক্তারের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য দেন মন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী পলক আরো জানান, শি পাওয়ার প্রকল্প স্থায়ী করণের স্বার্থে নিজস্ব অর্থায়নের ২০০ কোটি এবং বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ভারতের৫০ কোটি টাকাসহ ২৫০ কোটি টাকা সহায়তায় নির্মিতব্য মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এর আগে রেজাউল করিম অপু’র প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী চাপাইনবাবগঞ্জেও একটি হাইটেক পার্ক স্থাপনের আশ্বাস দেন। এজন্য জায়গা বন্দোবস্তের তাগিদ দেন তিনি। সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে, স্কুলগুলোর ওয়েব সাইট তৈরিতে সরকার কোনো বেসরকারি কোম্পানিকে নিয়োগ দেয়নি বলেও স্পষ্ট করেন পলক।
তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন পর্বের শুরুতে নওগাঁ ২ এর সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিগত ৫ বছরে জেলা পর্যায়ে ৩৩টি শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ৮টির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছরের মধ্যেই এগুলো উদ্বোধন করা হবে।
এছাড়াও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য খালেদা খানমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘সবাই শুনলে অবাক হয়ে যাবেন, বিগত দুই বছরে বিশ্বের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দুই বছরে ১ হাজার ৬০০টি ডিজিটাল বৈঠকে উপস্থিত থেকেছেন। মন্ত্রিসভা, একনেক, রাজনৈতিক এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে এসব বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার দিকনির্দেশনার ফলে সঠিক সমন্বয়ের কারণে করোনা মোকাবিলায় বিশ্বে পঞ্চম স্থানে আছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন না করলে করোনাকালে গত দুই বছরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রম, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এমনকি বিচারিক কার্যক্রম করা সম্ভব হতো না। ২০১৮ সালে চালু হওয়া ‘৩৩৩’ সেবার মাধ্যমে করোনাকালে শেখ হাসিনার আহ্বানে কর্মহীন, নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ‘৩৩৩’ কলসেন্টার না থাকলে আমাদের ডক্টর স্কুল তৈরি করা, টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান ও খাদ্য সহায়তা দেওয়া দুরুহ হয়ে যেতো।’